দেশের নৌপরিবহন খাতের অবস্থান অবস্থান, বাজারজাত পণ্য নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় জাহাজের আরো একটি বড় সিদ্ধান্ত সরকার। এখন থেকে দেশ পোর্টাল বাণিজ্যিক সমুদ্রগামী (সমুদ্রগামী) জাহাজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে আপনার বয়সসীমা ২৫ বছর থেকে কমিয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। দ্বিতীয়, ১০ বছর বেশি পুরোনো কোনো বিদেশী জাহাজ আরগামী পোর্টের জন্য না কিনতে দেশীয় জাহাজের বর্ণনারা।
নির্ধারণের নৌপরিবহন মূল উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে, পূর্বে ২৫ পর্যন্ত পুরোনো জাহাজ কেনার সুযোগ অনেক উদ্যোক্তা কম দামে পুরোনো ও জরাজীর্ণ নকশা করতে। কেবলে জাহাজ বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি দিত এবং আন্তর্জাতিক বন্দরে প্রায়ই জরিমানা ও সাম বয়কটের দেখায় কিছুক্ষণ। জাহাজের বয়সসীমা ১০ বছরের নাম আনার ফলে:
-
নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক যোগ্যতা বৃদ্ধি: তুলনামূলক নতুন সমুদ্রবন্দর সমুদ্র সমুদ্রে ও যান্ত্রিক গোলযোগের ঝুঁকি কার্যকরভাবে কমবে।
-
পরিবেশ ব্যবস্থা: নতুন প্রযুক্তির জাহাজগুলো কম পোড়ায় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা (আইএমও)-এর কার্বন নির্ণয় নীতিমালামালা সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম।
-
পরিচালন শক্তি কম: পুরোনো জাহাজের নীচের অংশ মেরামত ও রবেক্ষণ খরচ রাখা যাবে, যা দেশীয় শিপিং কোম্পানি লাভজনকতা বাড়াবে।
নেতা ও প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়া নৌ-খাতের আন্তর্জাতিক নেতারা এই পদক্ষেপকে স্বাগত সুস্থতা বলেছেন, এর ফলে শিপিংস্টিক রাজনৈতিক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। দেশের বিভিন্ন নামীদামি চার্টার (পণ্য মালিক প্রতিষ্ঠান) এখন রাজনৈতিক পণ্য জাহাজে আরো বেশি আস্থা।
তবে কিছু উদ্যোক্তা মনে করছেন, ১০ বছরের কম পুরনো জাহাজে বেশি খরচ করতে হবে। তাই দেশীয় শিপিং খাতকে দলিত করতে আপনাকে আমার সুহার কম করানো এবং বিশেষ অর্থের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য জোর দাবি ভোটারা।
সামুদ্রিক বাণিজ্যে গুণগত আনতে এবং বৈশ্বিক মালিকানা আইনের সামনে এই বিড়ম্বনা পরিবর্তনকে ইবাচক বড় মাইলফলক হিসেবে পরিবর্তনকে দেখছেন খাতরা।

মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন
মন্তব্য প্রকাশের আগে সম্পাদকীয় অনুমোদন প্রয়োজন।